গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পূর্বপুরুষদের কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত জমি দখলের অপচেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি ও দুদক কর্মকর্তার পরিচয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। আজ মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে গনমাধ্যমে জানান ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও মো. সবুজ জানান, কাপাসিয়া উপজেলার সোনারুয়া মৌজায় অবস্থিত সি এস খতিয়ান ৫৬. এস এ ১৫৬ খতিয়ান ভুক্ত জমি জমিটি গত ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয়ভাবে কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি লাহুরী এলাকার মো. মুকুল, মো. ফরিদ হোসেন, মো. ওবায়দুল্লাহ ও মো. আরিফুল ইসলাম—বেআইনিভাবে ওই কবরস্থানের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। জহিরুল ইসলামের অভিযোগ, কবরস্থানের দখল রোধে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা কবরস্থানের বাঁশঝাড় কেটে ফেলে এবং একটি অংশ জবরদখলের চেষ্টা করে। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের গালিগালাজ করে এবং শারীরিকভাবে আক্রমণের হুমকি দেয়। বিষয়টি আমি একই দিন কাপাসিয়া থানায় লিখিতভাবে জানালেও দখলচেষ্টা ও ভয়ভীতি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” জহিরুল ইসলাম প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানান কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত জমির দখল ও পবিত্রতা রক্ষা, দখলচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের একজন, আরিফুল ইসলাম টুটুল বলেন, “আমি ঢাকায় চাকরি করি, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আমি জড়িত নই। কাগজপত্র অনুযায়ী জমিটি আমাদের পরিবারের মালিকানাধীন। আমরা আমাদের জমি থেকেই বাঁশ কেটেছি। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।