ঈদকে সামনে রেখে গাজীপুরে জমে উঠেছে পশুর হাট। জেলার ছোট বড় ১২৫টি হাটে পশু বেচাকেনা হচ্ছে।জেলা ও জেলার বাইরে থেকেও পশু খামারিরা তাদের আদরের পশু নিয়ে আসছেন হাটগুলোতে। রাজধানী ও আশেপাশের জেলা থেকেও ক্রেতারা আসছেন কোরবানির পশু কিনতে। শেষ সময়ে বাজারগুলোতে এখন উপচে পড়া ভিড়। জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার জামালপুর চৌরাস্তা পশুর হাট। যা বসছে প্রতিদিন । স্থানীয় উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকা থেকে খামারিয়া গরু নিয়ে আসছেন এ হাটে। শুধু তাই নয় পাবনা সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সাভার এলাকা থেকে ট্রাক বোঝাই করে খামারি ও পাইকাররা এই হাটে আসছেন পশু বিক্রি করতে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকায় ও হাটের ব্যবস্থাপনা অনুকূলে থাকায় এই হাটটি বরাবরই জমে উঠে প্রতিবছর। মহিষ, ছাগল , ভেড়াও মিলছে ওই হাটে। জামালপুর চৌরাস্তা হাট কমিটির সদস্য ইয়াকুব আলী জানালেন, একটি গরু প্রতি হাসিল রাখা হয় মাত্র ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। বাজারে যথেষ্ট নিরাপত্তা বিদ্যমান। প্রতিবছর শত শত ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে দূর-দূরান্ত থেকে পশু খামারিরা এই পুরনো হাটে আসেন পশু বিক্রি করতে। ন্যায্য মূল্য পেয়ে পশু বিক্রেতারাও সন্তুষ্ট হন। নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা পশু ক্রেতা আরিফ শামস জানালেন, ঐতিহ্যবাহী এই হাটের সুনাম শুনে নারায়ণগঞ্জ থেকে গরু কিনতে এসেছি। এখানকার সার্বিক পরিবেশ নিরাপদ মনে হচ্ছে। শুধু দিন নয় সারারাত ধরে এ বাজারে পশু বেচাকেনা চলবে ঈদকে সামনে রেখে । মহানগরের বোর্ড বাজার, কাপাসিয়ার কাওরাইদ , শ্রীপুর মাওনা , ভাওয়াল মির্জাপুর, ফুলবাড়িয়া হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে সেখানে হাজার হাজার দেশীসহ নানাজাতের গরু মহিষসহ পশু বেচাকেনা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, জেলার পশুর হাট গুলোতে নিরাপত্তা দানে কোন ঘাটতি নেই