পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যে গাজীপুরের নতুন কুঁড়ি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব মো. রাব্বি, যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদ হাসান, ফয়সাল আহমেদ ও মো. হাফিজ বাপ্পি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব মো. হাফিজ উদ্দিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং বন উজাড়ের মতো নানা সংকটের মুখোমুখি। এসব সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং মানুষের জন্য অক্সিজেন, খাদ্য, ঔষধ এবং নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যেক শিক্ষার্থী যদি একটি করে গাছ রোপণ করে এবং তার যত্ন নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে আমরা একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব। বিশেষ অতিথিরা বলেন, গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই বিদ্যালয়ভিত্তিক এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার অঙ্গীকার করানো হয়। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য