রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি। গাজীপুর–৩ আসনে পরিবর্তনের জোয়ার এখন আর কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ নয়—এটি পরিণত হয়েছে জনতার স্পষ্ট উচ্চারণে। দীর্ঘদিনের অবহেলা, অনিয়ম ও অনিরাপত্তার রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে সাধারণ মানুষ এখন উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শান্তির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন। স্থানীয়দের মতে, ইজাদুর রহমান মিলন কোনো কথার রাজনীতিবিদ নন—তিনি কাজের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করেছেন। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা গাজীপুর–৩ এর মানুষের কাছে তাঁকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। ফলে দিন দিন তাঁর প্রতি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতীতে এই আসন বারবার রাজনৈতিক স্বার্থের বলি হয়েছে। উন্নয়নের নামে হয়েছে লুটপাট, নিরাপত্তার নামে হয়েছে দমন-পীড়ন। কিন্তু মানুষ আর সেই ব্যর্থতা মেনে নিতে রাজি নয়। তারা চায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, টেকসই উন্নয়ন এবং একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ—যার প্রতীক হিসেবে তারা দেখছে “ঘোড়া মার্কা কে। গাজীপুর–৩ এর ভোটাররা বলছেন, এবার ভোট হবে মুখের কথা আর ফাঁকা প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে রায়। এই নির্বাচন হবে দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসের রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার সুযোগ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ঘোড়া মার্কায় ভোট দিয়ে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী গাজীপুর–৩ গড়ার আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের ভাষায়, ভোট দিন উন্নয়নের পক্ষে, ভোট দিন পরিবর্তনের পক্ষে—ভোট দিন ইজাদুর রহমান মিলনের পক্ষে