ছাত্ররাজনীতির হাত ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু। এরপর দীর্ঘ পথচলায় দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম, হামলা, মামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজপথ ছাড়েননি।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতি করে আজ তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী—আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভী। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ তৃণমূল বিএনপির আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিত। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে একটি সুপরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দল-মত নির্বিশেষে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকা এবং জনস্বার্থে সোচ্চার থাকার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি মানুষের সেবা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন। সমর্থকদের ভাষ্য, ভাওয়ালগড় ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ইউনিয়নে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়েই তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভীকে গাজীপুরের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।বর্তমানে তিনি ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাঁদের মতামত ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনসম্পৃক্ত রাজনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন