পুরোনো বন্ধুত্ব।স্কুলজীবনের অমলিন স্মৃতি।আর সেই স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে তুরাগ নদীর বুকে ১১ সেপ্টেম্বর ছিল দিনব্যাপী নৌবিহার ও বন্ধু মিলনমেলার আয়োজন। এসএসসি ৮৬ বাংলাদেশের মিরপুর-পল্লবী জোনের আয়োজনে এ নৌবিহারে অংশ নেন শতাধিক বন্ধু। সকালে নৌকায় উঠেই শুরু হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস।কেউ গল্পে মেতে ওঠেন। কেউ স্মৃতিচারণে ফিরে যান স্কুলজীবনের সোনালি দিনে। সহচরীদের হাতে হাত রেখে আনন্দে অনুভবে সবটুকু উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অবলীলায়।নদীর বুকে চলতে চলতে চলে গান, নাচ, কবিতা আবৃত্তি ও আড্ডা। ছিল প্রাণখোলা হাসি। ছিল ফটোসেশন। বন্ধুদের মিলন আর উচ্ছ্বাসে পুরো নৌযানটি হয়ে ওঠে যেন ভাসমান এক আনন্দের মঞ্চ।দিনভর তুরাগের ঢেউয়ের সঙ্গে চলে নির্মল আনন্দ। বয়সের ব্যবধান ভুলে সবাই যেন ফিরে যান সেই কৈশোরের দিনে। হাসি গানে ভরা ওই নৌ বিহারের বর্ণনা দিতে গিয়ে ৮৬ বন্ধু আবু জাহিদ সাদিক বললেন, জীবন রাঙাতে মন রাঙাতে বন্ধুত্বের প্রয়োজন যথেষ্ট। জীবনের শেষ নাগাদ পর্যন্ত এই বন্ধুত্ব থাকবে অটুট। নৌবিহার শেষে মিরপুরের কাছে তামান্না ফ্যামিলি পার্কে অনুষ্ঠিত হয় বন্ধু মিলনমেলা। সেখানে চলে আরও আড্ডা, গান, নাচ, কবিতা ও স্মৃতিচারণ শতাধিক বন্ধুর প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি হয়ে ওঠে উপভোগ্য ও আনন্দমুখর। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজাদ পাটোয়ারী সভাপতিত্বে ঐ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন ৮৬ বন্ধু গণমাধ্যম কর্মী ফসি উদ্দিন মাহাতাব, সংগঠনের টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি শাহে আলম সাবু, আবু জাহিদ সাদিক, এস এম আলী আহমেদ, রিজু, কাজী শরীফুল ইসলাম সফিক। ঢাকা সহ সারাদেশের অন্যান্য ৮৬ বন্ধু ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবির, এনামুল হক, শাজাহান কবির, রিয়াজুল হক, বকুল আরা, নাজমা সুলতানা, আলীম প্রমুখ নেতৃস্থানীয় বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে আকর্ষণীয় লটারি ড্র ও পুরস্কারপ্রাপ্তি সকল বন্ধুর মনকে করে আরো উজ্জীবিত। বন্ধুত্বের টানে একসঙ্গে কাটানো এই দিনটি অংশগ্রহণকারীদের মনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে - এমনটাই বললেন অংশগ্রহণকারী এক বন্ধু উত্তরা জোনের সভাপতি আশরাফ সিদ্দিকী। হৃদয়ের স্পন্দন, দৃঢ়তার বন্ধন ও সুরের আবেশ ছড়ানো এই সংগঠনটি আনন্দমুখর অনুষ্ঠানমালার আয়োজন ছাড়াও সামাজিক সহযোগিতামূলক ও মানবিক কর্মকান্ডে যথেষ্ট ভূমিকা রেখে আসছে যেখানে রয়েছে দেশ-বিদেশের এসএসসি ছিয়াশির শত শত বন্ধু। যার মূল নেতৃত্বে রয়েছে আজাদ পাটোয়ারী, নাহিদ আক্তার, মনসুর আহমেদসহ অনেকেই