ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ড্যাবের উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল আলম। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে হবে না; ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ডা. মাজহারুল আলম বলেন, “বাড়ির ভেতর-বাইরে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। পানির ট্যাংকের ঢাকনা সবসময় ভালোভাবে বন্ধ রাখতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ফুলের টব বা অন্য কোনো পাত্রে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলাতেও মশারি ব্যবহার, মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরের ভেতর ও বাইরে অনুমোদিত মশা নিধনকারী উপকরণ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তিনি।ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে ডা. মাজহারুল আলম বলেন, “জ্বর হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিজের ইচ্ছায় ওষুধ না খেয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। এ জন্য বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের জমে থাকা পানি নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। পরিবারে একজন সচেতন হলেই হবে না—প্রতিটি পরিবারের সদস্যকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ডা. মাজহারুল আলম সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নিজের ঘর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশী ও আশপাশের পরিবেশও পরিষ্কার রাখতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও সতর্কতা। তাই সবাইকে নিয়মিতভাবে নিজেদের বাসাবাড়ি ও কর্মস্থলের আশপাশ পরিদর্শন করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার আহ্বান জানান তিনি