রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবন (ন্যাম ভবন) থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তদন্ত শুরু করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও ঘটনাস্থলে কাজ করেছে। তবে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা—এ মুহূর্তে তা নিশ্চিত নয়। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মরিয়ম খাতুনকে গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন, ওই তরুণী মরিয়ম খাতুন এবং পারিবারিকভাবে গত ১৭ জুন তাঁদের বিয়ে হয়েছে। এদিকে মরিয়ম খাতুনের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে দায়ী করা বা ঘটনাটিকে হত্যা হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করা সমীচীন নয়। পুলিশের তদন্ত, সিআইডির আলামত বিশ্লেষণ ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই বেরিয়ে আসবে ১৯ বছর বয়সী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ