রাজনীতি ও জনজীবনের ব্যস্ততার পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে থাকে আপনজন, প্রিয় মানুষ, স্মৃতি ও নানা অনুভূতি। জীবনের এমনই কিছু অনুভূতি কবিতার পঙ্ক্তিতে তুলে ধরেছেন ডা. মাজহারুল আলম।ধুলোবালির কলমে লিখো’ শিরোনামের কবিতায় জীবনের প্রতি ভালোবাসা, কঠিন সময়ের স্মৃতি, সংসারের টান এবং প্রিয় মানুষদের সুখের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। কবিতার শুরুতেই তিনি লিখেছেন—কবিতা লিখবো বলে জীবনকে লেগেছে ভালো নির্দয় প্রহরগুলিও আনমনে জ্বেলেছে আলো। জীবনের কঠিন সময়ও যে কখনো কখনো নতুন আলো দেখার উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে—কবিতার এই পঙ্ক্তিতে সেই অনুভূতিরই প্রকাশ ঘটেছে। কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে সংসার ও আপনজনের কথা।নিজের চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে প্রিয় মানুষগুলোর সুখের কামনাই যেন এখানে বড় হয়ে উঠেছে—কবিতার পংতিতে বারবার আসে সংসারের মুখ জীবনের পরে কামনা করি তোমাদের যত সুখ। কয়েকটি পঙ্ক্তির মধ্য দিয়ে কবি জীবনের নানা অনুভূতিকে মালার মতো গেঁথে রাখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। সেখানে রয়েছে স্মৃতি, ভালোবাসা, সম্পর্ক এবং সময়কে ধরে রাখার এক আন্তরিক প্রয়াস। কবিতার শেষাংশে এসে অনুভূতিটি আরও গভীর হয়েছে—পেছন ফিরে দেখিবে কভু হাজার তারার দেশ ধুলোবালির কলমে লিখো শেষ পংতিটির শেষ। ধুলোবালির কলম’ যেন জীবনের সাধারণ বাস্তবতার একটি প্রতীক। সেই কলমেই লেখা হচ্ছে সুখ-দুঃখ, আপনজনের কথা, ভালোবাসা ও ফেলে আসা সময়ের গল্প। ডা. মাজহারুল আলমের এই কবিতায় তাই ব্যক্তিজীবনের অনুভূতির পাশাপাশি প্রিয় মানুষ ও আপনজনদের প্রতি মমতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাজনীতি ও জনজীবনের পরিচিত ব্যস্ততার বাইরে কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে একজন মানুষের আবেগ, স্মৃতি এবং ভালোবাসার আরেকটি দিক। কয়েকটি সরল পঙ্ক্তিতে ‘ধুলোবালির কলমে লিখো’ শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে জীবনকে ভালোবাসা এবং প্রিয় মানুষগুলোর সুখ কামনার এক আবেগঘন প্রকাশ