কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলায় আটক এক কৃষক লীগ নেতাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে তদবির করতে গিয়ে জামায়াত-বিএনপির ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে মুচলেকা নেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে মিরপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চিথলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চিথলিয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজকে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়। পরে তাকে মিরপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। হাফিজুর রহমানকে আটকের খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন থানায় যান। পুলিশের দাবি, তারা হাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির ও চাপ দিতে থাকেন। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নিষেধ করার পরও তারা নাশকতা মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তদবির করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম (৪৫), জামায়াত সমর্থক মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম (৪৫) এবং বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম (৫৩)। পুলিশ জানায়, পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাউকে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে