
ডিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার ভবানীপুর বাজার এলাকায় সুমনের গ্যারেজের সামনে অভিযান চালিয়ে প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন– তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী গ্রামের ইমরান হোসেন (২২), গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আশিকুল ইসলাম (১৯), এবং গাজীপুর মহানগর লাগালিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান ইমন (২৩)। জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরে ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন– শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের শাহারিয়ার রহমান সাদাফ (২২) এবং কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর নতুন বাজার এলাকার মোজাম্মেল হাসান রোমান (২২)। ডিবি পুলিশ জানায়, শাহারিয়ার সাদাফ স্বীকার করেছেন যে, তিনি একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি ম্যাগাজিন ও একটি খালি ম্যাগাজিন তার খালু আব্দুল খালেকের টিনশেড ঘরের ওয়্যারড্রোবের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন। পুলিশ পরে কাওরাইদ বাজার এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা কেউই অস্ত্রের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। জানা গেছে, ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে সাতটি এবং মেহেদী হাসান ইমনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল এবং খুন-জখমসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল। ঘটনার পর শনিবার (৪ অক্টোবর) শ্রীপুর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা (নম্বর-০৩) দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। শ্রীপুর থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ‘অপরাধ নির্মূলে পুলিশের নিয়মিত তৎপরতার অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।