সোমবার (২৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই পুলিশ হলেন, এএসআই আব্দুর রশিদ ও কনস্টেবল সাইদুল। তারা দুজনেই গাজীপুর সদর থানায় কর্মরত রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, মধ্যরাতে সদর থানার দুই পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে অভিযানে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিয়ে বাড়ির ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে এএসআই আব্দুর রশিদ পালাতে সক্ষম হলেও, কনস্টেবল সাইদুল আটকা পড়েন এবং ব্যাপক মারধরের শিকার হন। পরবর্তীতে, সাইদুল পালিয়ে এক বাড়ির বাথরুমে আশ্রয় নিয়ে রাত কাটান। সকালে সেই বাসার মহিলা সেখানে আসলে তাকে দেখে অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর শুরু হয় কনস্টেবলকে ২য় দফা মারধর। এতে তিনিও অজ্ঞান হয়ে যান। খবর পেয়ে আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সদর থানাধীন ভোড়া এলাকায় মাদক মামলার আটক আসামি মো. আব্রাহাম রায়হানের আলামত জব্দ ও মাদক ব্যবসায়ী মুমতাজ এবং শাহ জামাল ওরফে মালা পাগলাকে গ্রেফতারের চেষ্টাকালে কর্তব্যরত এএসআই আব্দুর রশিদ ও কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম সংঘবদ্ধ আক্রমণের শিকার হন। মাদক ব্যবসায়ী ও আসামির আত্মীয়-স্বজনসহ অন্যরা পুলিশ সদস্যদের ঘিরে ধরে মাথায় আঘাতসহ মারধর করে গুরুতর আহত করে। এতে এএসআই আব্দুর রশিদ ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সাইফুল ইসলাম আহত অবস্থায় দৌড়ে সরে গেলেও পরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং স্থানীয়দের দ্বারা চোর সন্দেহে দ্বিতীয় দফা হামলার শিকার হন। পরে দুই পুলিশ সদস্যকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশের অভিযানের সময় দুই পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে