দেশের উচ্চ শিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমীক্ষা করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
হাবিবুর রহমান গাজীপুর
Update Time :
Sunday, January 25, 2026
/
দেশের ৭০ শতাংশ উচ্চ শিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর প্রায় সাত লাখ ছাত্র-ছাত্রী স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। কিন্তু এর অন্তত ৪০ শতাংশ বেকার থাকে। এভাবে প্রতিবছর বেকারের সংখ্যা বাড়ছেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছে যে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা পূরণ করতে পারছে না এসব তরুণ-তরুণীরা। পুরো চিত্র তুলে আনতে বড় পরিসরে জরিপ বা সমীক্ষা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পাশে দাঁড়িয়েছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক এ সংস্থার আর্থিক সহায়তায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে একটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানকে এ গবেষণার কাজ দিয়েছে। “Feasibility Study to Assess the Future Readiness and Responsiveness of Bangladesh’s Higher Education System” শিরোনামের এ সমীক্ষার কাজ করবে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ”Consigliery Private Limited রবিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, দেশের সব অঞ্চলের সব শ্রেণিপেশা এবং ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের সমস্যা ও চাহিদা জানতে চায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। মূল লক্ষ্য ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এদের কেউ বাদ পড়বে না। কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এদেশের আপামর জনসাধারণের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আন্তরিকতার সাথে সুচারুরূপে গবেষণা চালানোর আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, গবেষণাটি যেন এমন আন্তর্জাতিক মানের হয়, যাতে শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয় দেশের নীতিনির্ধারকগণ উচ্চ শিক্ষার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে এ গবেষণা ব্যবহার করতে পারেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সকল ডিন ও বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।