June 15, 2026, 7:16 pm
শিরোনাম:
হোতাপাড়া-পিরুজালী সড়কের বেহাল দশা: উন্নয়নের দাবিতে ক্ষোভ, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল

মনিপুর বিটের সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ টাইলস মার্কেট: বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, উচ্ছেদের নোটিশ

গাজীপুর প্রতিনিধি

৫ আগস্টের পর গাজীপুর সদর উপজেলার ঢাকা বন বিভাগের রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জের মনিপুর বিট এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে প্রকাশ্যে একটি টাইলস মার্কেট নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনিক দুর্বলতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি বন বিভাগ। ঘটনাস্থলটি মনিপুর বিট অফিসের কাছাকাছি হলেও দখলদাররা নির্বিঘ্নে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জ অফিসার মোঃ জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিট অফিসার মোঃ আব্দুল মান্নান, পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে টাইলস মার্কেটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। অভিযানে রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ও বন বিভাগের স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বন বিভাগের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে দখলদারদের কয়েকদিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিষয়ে থানায় অবহিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জানা যায়, মনিপুর বিটের বেগমপুর হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন ইএসবিল কারখানার পূর্ব পাশে বোকরান মনি-পুর মৌজার সিএস ৫৮৬ নং দাগের জমিটি বন বিভাগের নামে গেজেটভুক্ত। ১৯৮২ সালে বন শ্রেণিভুক্ত এই দাগের ১ একর ৫০ শতাংশ জমি জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ১ নং খতিয়ানমূলে সাতজনের নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে জমিটি বন বিভাগের নামে গেজেটভুক্ত হলে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ওই বন্দোবস্তের খাজনা-খারিজসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত স্মারক নম্বর হচ্ছে, রেন্ড-২২১৬/৯৩’। এরপর থেকে বন বিভাগ জমিটিকে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে।স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে বনভূমি দখলের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বন বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও উচ্ছেদ অভিযান জোরদার করা হবে।



ফেসবুকে আমরা