June 15, 2026, 10:40 pm
শিরোনাম:
হোতাপাড়া-পিরুজালী সড়কের বেহাল দশা: উন্নয়নের দাবিতে ক্ষোভ, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে দালাল সিন্ডিকেট: অসহায় রোগীরা জিম্মি

গাজীপুর প্রতিনিধি

শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে কর্মরত লক্ষাধিক শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসা শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সরকারি খরচে বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা পাওয়ার এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা।অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের কিছু অসাধু চিকিৎসক, নার্স, ব্রাদার, ওয়ার্ড বয়, আয়া, আনসার সদস্য এবং ইন্টার্নশিপে আসা নার্সিং ও ম্যাটস শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। ইমার্জেন্সি ও বহির্বিভাগে বহিরাগত দালালদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। ইমার্জেন্সি বিভাগে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। টাকা দিতে না পারলে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে চিকিৎসা না দিয়ে অন্যত্র রেফার করার ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে রোগীদের আশপাশের নিম্নমানের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে কমিশন বাণিজ্য করা হচ্ছে। রাতের ডিউটিতে থাকা এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন গ্রহণ ও দালালদের প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার দায়িত্বকালীন সময়ে ইমার্জেন্সি বিভাগে দালালদের তৎপরতা বেড়ে যায় বলে দাবি রোগীর স্বজনদের। এছাড়া গাইনি ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার নামে কমিশন বাণিজ্য, হুইলচেয়ার ও ট্রলি ব্যবহারে বকশিস আদায় এবং প্রসূতি রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের একটি অংশ দালালদের অবাধ প্রবেশে সহায়তা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই দালাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাধারণ মানুষের শেষ ভরসার এই হাসপাতালটি সাধারণ মানুষের জন্য  চিকিৎসার সুব্যবস্থা  করার আহ্বান জানান  সাধারণ জনগণ



ফেসবুকে আমরা