বিএনপির চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের পর তার একান্ত সঙ্গী ও দীর্ঘদিনের গৃহকর্মী ফাতেমাকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের আলোচনা ও মন্তব্য শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন—বেগম খালেদা জিয়ার অবর্তমানে ফাতেমার ভবিষ্যৎ কী হবে? তাকে কি দূরে সরিয়ে দেওয়া হবে, নাকি অবহেলিত হয়ে পড়বেন তিনি? এসব জল্পনা-কল্পনার মাঝেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মানবিক আচরণের মাধ্যমে সব প্রশ্নের জবাব দিলেন কার্যকরভাবে। তিনি প্রমাণ করলেন—তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন মানবিক হৃদয়ের মানুষ, যিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা এক প্রকৃত দেশপ্রেমিক। সম্প্রতি এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যে দেখা যায়, ফাতেমাকে নিজের পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে তারেক রহমান নিজের পাশে বসিয়ে একসাথে খাবার গ্রহণ করছেন। কোনো ভেদাভেদ নয়, কোনো কৃত্রিমতা নয়—ছিল শুধু আন্তরিকতা, সম্মান ও ভালোবাসা। এই দৃশ্য মুহূর্তেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তারেক রহমানের এই আচরণ স্পষ্ট করে দেয়, ক্ষমতা বা অবস্থান নয়—মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল দর্শন। একজন অসহায়, নীরব সেবিকার প্রতি এমন সম্মান প্রদর্শন প্রমাণ করে, তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা এবং জিয়াউর রহমানের আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি। এই মানবিক দৃষ্টান্ত শুধু ফাতেমার জন্য নয়, বরং পুরো জাতির জন্য একটি বার্তা—মানুষের মর্যাদা তার অবস্থানে নয়, তার মানবিকতায়। তারেক রহমান সেই মানবিকতারই উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন।