June 15, 2026, 10:03 pm
শিরোনাম:
হোতাপাড়া-পিরুজালী সড়কের বেহাল দশা: উন্নয়নের দাবিতে ক্ষোভ, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল

পিরুজালী ব্রিজ নির্মাণে প্রশ্নবিদ্ধ ঢালাই ও দুই বছরের স্থবিরতা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া থেকে নৃহাশ পল্লী ও কালিয়াকৈরের ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত যাতায়াতের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পিরুজালী সরকঘাট বাজার সংলগ্ন ব্রিজটি বর্তমানে জনদুর্ভোগের প্রতীক হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৯–১০টা পর্যন্ত এই ব্রিজ এলাকায় তীব্র যানজট লেগেই থাকছে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিল্পকারখানার কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও রোগীবাহী যানবাহনসহ নানা শ্রেণির মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে শিল্প এলাকা হওয়ায় ভারী যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো ব্রিজের পাশেই একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ প্রায় দুই বছর আগে শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কাজের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। দীর্ঘ সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকায় জনমনে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে রেখে বারবার সময়ক্ষেপণ করছে, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি চোখে পড়ছে না। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে নতুন নির্মাণাধীন ব্রিজে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই মাত্র দুই থেকে তিন ইঞ্চি পুরু করে ‘সিঙ্গেল’ ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুনরায় ঢালাই কবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি বা ব্যাখ্যা নেই। এতে করে নির্মাণকাজের মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী ও পথচারীরা জানান, হাতে করা এই সিঙ্গেল ঢালাইয়ের ওপর আবার ঢালাই দেওয়ার পরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও তা প্রকৌশল নকশা ও নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে কেউ নিশ্চিত নন। দীর্ঘ বিরতিতে ঢালাই দেওয়ায় ব্রিজের কাঠামোগত শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। একজন নিয়মিত যাত্রী বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দুই বছরেও যদি ব্রিজের কাজ শেষ না হয়, তাহলে এটা নিছক গাফিলতি নয় এটা বড় ধরনের অব্যবস্থাপনা। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের কাজে এভাবে অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে নির্মাণকাজের গুণগত মান যাচাই, ঢালাইয়ের কারিগরি পরীক্ষা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি স্থানীয়দের জোর দাবি এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুত, মানসম্মত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করে জনসাধারণকে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।



ফেসবুকে আমরা