June 15, 2026, 7:09 pm
শিরোনাম:
হোতাপাড়া-পিরুজালী সড়কের বেহাল দশা: উন্নয়নের দাবিতে ক্ষোভ, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল

গাজীপুরের ভাওয়ালগড়ে বেকারি কারখানায় অবাধে বাসি রুটি বিক্রি, জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের কড়ইতলি এলাকায় একটি বেকারি কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত রুটি দোকানে দোকানে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উক্ত বেকারি কারখানার বিক্রেতারা বিভিন্ন মুদি দোকানে পুরোনো ও নষ্ট রুটি সরবরাহ করছেন। রুটিগুলোতে দুর্গন্ধ থাকলেও তা পুনরায় দোকানে রেখে বিক্রির জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। একাধিক দোকানদার জানান, রুটি ফেরত দিতে চাইলে বেকারি বিক্রেতারা দাবি করেন—“একটি রুটি তিন দিন থাকলে ওঠে না, নষ্টও হয় না।” এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানদার বলেন, রুটিতে স্পষ্ট গন্ধ থাকলেও বেকারির লোকজন সেগুলো আবার নতুন রুটি হিসেবে বিক্রির জন্য রেখে যান। এতে বাধ্য হয়ে অনেক দোকানদার লোকসানের আশঙ্কায় সেগুলো বিক্রি করছেন, যা ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত তদারকির অভাবেই এক শ্রেণির অসাধু বেকারি মালিক ও বিক্রেতারা এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে পেটের রোগ, ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, সংশ্লিষ্ট বেকারি কারখানার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করলে ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এ ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন



ফেসবুকে আমরা