June 15, 2026, 5:48 pm
শিরোনাম:
হোতাপাড়া-পিরুজালী সড়কের বেহাল দশা: উন্নয়নের দাবিতে ক্ষোভ, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল

গাজীপুর আইডিয়াল কলেজে ‘হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন’ শীর্ষক সাহিত্যসভা

গাজীপুর প্রতিনিধি

 

হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন’ শিরোনামে বাংলা সাহিত্যের তিন দিকপাল—মাইকেল মধুসূদন দত্ত, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও জসীম উদ্দীন—কে স্মরণ করে ‘সশ্রদ্ধ স্মরণ’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর আইডিয়াল কলেজে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল চারটায় কলেজ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি, কথাসাহিত্যিক ও ডুয়েটের সহকারী পরিচালক জিয়াউল হক সরকারের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করা হয়। এ সময় ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক অসীম বিভাকর পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ‘প্রতিদান’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। আলোচনা পর্বে অংশ নেন সাংস্কৃতিজন লিয়াকত চৌধুরী ও সাবেক অধ্যক্ষ মুকুল কুমার মল্লিক। গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মনির সাহিত্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি করেন। কবি ও শিক্ষক মাধব চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কাব্যভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থী গোলাম মাওলা কালজয়ী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম, বিশেষ করে তাঁর উপন্যাস শ্রীকান্ত–এর মানবতাবাদী দর্শন নিয়ে বক্তব্য দেন। সবশেষে বাচিক শিল্পী তপন চক্রবর্তী মাইকেল মধুসূদন দত্তের ওপর প্রবন্ধ পাঠ ও কবিতা আবৃত্তি করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়েও এই তিন সাহিত্যিকের রচনা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁদের কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ পাঠেই তা স্পষ্ট হয়। বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথাগত রামায়ণের কাহিনির বাইরে এসে মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করে বাংলা মহাকাব্যধারাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেন। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ‘প্রতিদান’ ব্যক্তি-সীমা অতিক্রম করে সর্বজনীন মানবিকতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। আর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসে উচ্চারিত—‘মরার আবার জাত কিসের?’—উক্তি আজও সমাজচেতনায় আলোড়ন তোলে। সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।



ফেসবুকে আমরা