বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি)–এর হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গাজীপুরবাসীর পক্ষ থেকে একটি খোলা চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা ডা. মাজহারুলের অবদান ও নিষ্ঠার কথা তুলে ধরে তাঁর জন্য উপযুক্ত দায়িত্ব প্রদানের জোর দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ডাঃ মাজহারুল সততা, নিষ্ঠা ও আদর্শিক দৃঢ়তায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে অবিচলভাবে যুক্ত রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে, সংগ্রামের প্রতিটি পর্বে এবং সাংগঠনিক প্রয়োজনে তিনি নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন—কখনও প্রচারের আলো চাননি, চেয়েছেন কেবল দলের সাফল্য ও আদর্শের বিজয়। দল যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, তিনি তা আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করেছেন। ত্যাগ, পরিশ্রম ও আনুগত্যের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে বারবার প্রমাণ করেছেন—এমনটাই উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। গাজীপুরের মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত একজন গ্রহণযোগ্য ও যোগ্য নেতা হিসেবে ডা. মাজহারুলের যথাযথ মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, জননেতা তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সততা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। চিঠিতে গাজীপুরবাসীর প্রাণের দাবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়—ডা. মাজহারুলকে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–এর চেয়ারম্যান অথবা গাজীপুর জেলা পরিষদ–এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হোক। এটি কোনো ব্যক্তিগত অনুরোধ নয়; বরং গাজীপুর–এর আপামর জনগণের আবেগ, প্রত্যাশা ও আস্থার প্রতিফলন। চিঠিতে আরও বলা হয়, একজন নিবেদিত, সৎ ও আদর্শবান নেতৃত্বই একটি অঞ্চলের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারে। ডা. মাজহারুলের হাতে দায়িত্ব এলে গাজীপুর পাবে উন্নয়ন, পাবে স্বচ্ছতা এবং জনবান্ধব নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সবশেষে দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়—দলের দুঃসময়ের সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করা মানেই সংগঠনের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করা। আজ সময় এসেছে ত্যাগের রাজনীতিকে সম্মান জানানো এবং নীরব কর্মীদের প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করার। আশা করা হচ্ছে, মানবিক দৃষ্টিতে বিষয়টি বিবেচনা করে একজন পরীক্ষিত, বিশ্বস্ত ও ত্যাগী নেতার প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করবে বিএনপির নেতৃত্ব