October 29, 2026, 8:06 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

সরকারি হাসপাতালে সেবা নিশ্চিত ও অনিয়ম বন্ধে সরকারি নজরদারি চান মেজবাহ সেলিম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের শেষ ভরসার জায়গা। দরিদ্র ও অসহায় মানুষ চিকিৎসা নিতে সরকারি হাসপাতালে গেলেও নানা ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির অভিযোগ উঠছে—এমন দাবি করে এসব বিষয়ে কঠোর সরকারি নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, গুলশান থানা ছাত্রদল মেজবাহ সেলিম। তিনি বলেন, একজন অসুস্থ মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কোনো ধরনের দয়া চান না; তিনি চান তাঁর অধিকার অনুযায়ী চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, মানবিক আচরণ এবং যথাযথ সেবা। সরকারি হাসপাতাল জনগণের অর্থে পরিচালিত হওয়ায় সেখানে সেবার মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মেজবাহ সেলিমের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা-সামগ্রীর সংকট, নির্ধারিত সেবার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ, বেড থাকা সত্ত্বেও রোগীর জায়গা না পাওয়া, নিম্নমানের খাবার, অপরিষ্কার বেড ও বিছানাপত্র এবং অপরিচ্ছন্ন ওয়াশরুমের মতো সমস্যা নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এ ছাড়া দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের অনুপস্থিতি বা অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ, রোগী ও স্বজনদের প্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে হয়রানি এবং চিকিৎসাসেবা পেতে অযথা বিলম্বের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি জানান তিনি। সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করে মেজবাহ সেলিম বলেন, হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালচক্রের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন অসহায় রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। জরুরি সময়ে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা সিন্ডিকেটের অভিযোগ থাকলে সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনার যথাযথ ব্যবস্থাপনা না থাকলে রোগী, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মী—সবার জন্যই স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই শুধু চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা করলেই হবে না; হাসপাতালের সামগ্রিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনার দিকেও নজর দিতে হবে। মেজবাহ সেলিম বলেন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা জনগণের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অংশ। তাই জনগণ যাতে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে হয়রানি বা অপমানের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, সব চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নন।সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও অসংখ্য স্বাস্থ্যকর্মী আন্তরিকতার সঙ্গে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তাঁদের সম্মান বজায় রেখেই যেসব ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি বা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে, সেসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দালালমুক্ত পরিবেশ, সময়মতো চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগীর সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানান। মেজবাহ সেলিম বলেন, একজন রোগী হাসপাতালে যান সেবা নিতে, অপমানিত হতে নয়। সরকারি হাসপাতাল কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়—এটি জনগণের সম্পদ এবং জনগণের অধিকার। তিনি এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান



ফেসবুকে আমরা