October 29, 2026, 7:09 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

লাল-সবুজের ঠিকানায় অনন্ত স্বদেশের স্বপ্ন ডা. মাজহার

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বদেশপ্রেম, জীবনবোধ, আশা ও আগামীর প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরে কবিতা লিখেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল আলম। তাঁর লেখা ‘স্বদেশঃ অনন্ত বাসর’ কবিতায় ব্যক্তি জীবনের হতাশা ও নিরাশাকে পেছনে ফেলে স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান ফুটে উঠেছে।কবিতার প্রতিটি পঙ্‌ক্তিতে রয়েছে জীবনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়। অতীতের মোহে ফিরে না গিয়ে সময়ের স্রোতের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার যে আহ্বান কবি জানিয়েছেন, সেখানে ব্যক্তিজীবনের অনুভূতির পাশাপাশি ভবিষ্যতের প্রতি গভীর আস্থার প্রকাশ ঘটেছে। জীবনের ভেলায় যাবে আরো কিছুদূর সবুজ স্বদেশ সম্মুখ পানে—এই পঙ্‌ক্তি যেন পাঠককে থেমে না গিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়। জীবনের পথে যত বাধাই আসুক, স্বদেশের সবুজ প্রান্তর সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই কবি খুঁজে পেয়েছেন নতুন দিনের প্রত্যাশা।কবিতায় হতাশাকেও আলাদা করে তুলে ধরা হয়েছে।নিরাশার বালুচর’ যেন জীবনের সেই সময়ের প্রতীক, যখন মানুষ পথ হারায়, স্বপ্ন থমকে যায়। কিন্তু কবি সেখানে থেমে থাকতে বলেননি। বরং আগামীর ঘাটে পৌঁছানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। কবিতার শেষাংশে লাল-সবুজের পতাকা হয়ে উঠেছে স্বদেশের পরিচয় ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বিবর্ণ জীবনের মাঝেও বাংলার মাঠে-মাঠে নতুন স্বপ্ন, ভালোবাসা ও আশার অনন্ত বাসর গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে ‘স্বদেশঃ অনন্ত বাসর’ কবিতায় প্রকৃতি, জীবন, সময়, হতাশা, আশা এবং দেশপ্রেম—এই বিষয়গুলো পরস্পরের সঙ্গে মিশে গেছে। ব্যক্তিমানুষের আবেগ থেকে বৃহত্তর স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা–কবিতার পরতে পরতে সেই অনুভূতিরই প্রকাশ ঘটেছে। জীবনের পথ যতই কঠিন হোক, অতীতের মোহ কিংবা হতাশায় আটকে না থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে বার্তা কবি দিয়েছেন, সেটিই কবিতাটির মূল সুর। আর সেই পথচলায় নিজের শেকড়, নিজের মাটি ও নিজের স্বদেশকে ধারণ করার আহ্বান রয়েছে তাঁর লেখায়। স্বদেশের মাটিই শেষ ঠিকানা—আর সেই ঠিকানায় ভালোবাসা, আশা ও স্বপ্নের অনন্ত বাসর



ফেসবুকে আমরা