গাজীপুরের হোতাপাড়া কাতলামারা এলাকার সবুজ বনভূমির মনোরম পরিবেশে বনভোজন ও মিলনমেলার মধ্য দিয়ে নতুন উদ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সংগঠনের উদ্যোগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ বনভোজন ও মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বনের ছায়াঘেরা ও মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে আনন্দঘন সময় কাটানোর পাশাপাশি বন ও পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনায় বন সংরক্ষণ, পরিবেশ দূষণ রোধ, অবৈধভাবে বনভূমি দখল ও বর্জ্য ফেলা বন্ধ, বৃক্ষরোপণ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নতুন সাধারণ পরিষদ গঠন এদিকে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে পূর্বের আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে নতুন সাধারণ পরিষদ গঠন করা হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে খুব শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়। নতুন সাধারণ পরিষদে রয়েছেন—১ ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম ২. মোঃ রাব্বি ৩. আতিকুর রহমান শিমুল ৪. হাফিজ উদ্দিন ৫. মামুন মুড়ল ৬. মোবারাক হোসেন ৭. আবিদ হাসান ৮. মুন্নি আক্তার ৯. দেলোয়ার ১০. মেহেদী হাসান ১১. ফয়সাল মাহমুদ ১২. বাপ্পী ১৩. জহিরুল ইসলাম।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, বন ও পরিবেশ রক্ষা কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের দায়িত্ব নয়; এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে বনভূমি রক্ষা, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, অবৈধ দখল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।বনভোজন ও মিলনমেলাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। একই সঙ্গে নতুন সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ। তাদের আশা, নতুন সাধারণ পরিষদ এবং পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃত্বে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন আরও সুসংগঠিতভাবে বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে