October 29, 2026, 6:27 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

লবলং খালে শিল্পবর্জ্য ফেলা বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর: লবলং খালে অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য ফেলা অবিলম্বে বন্ধ, প্রতিটি কলকারখানায় কার্যকর বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) নিশ্চিত এবং পরিবেশদূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মো. রাব্বি বলেছেন, লবলং খাল কোনো শিল্পকারখানার বর্জ্য ফেলার ভাগাড় নয়। এই খাল ও এর আশপাশের পরিবেশ রক্ষা করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য খালে ফেলার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।পরিবেশ দূষণ বন্ধে শুধু আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, আজ বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—লবলং খালে অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য ফেলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি কলকারখানায় কার্যকর বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা বা ইটিপি নিশ্চিত করতে হবে। কাগজে-কলমে ইটিপি থাকার বিষয়টি যথেষ্ট নয়; সেটি বাস্তবে চালু আছে কি না, বর্জ্য যথাযথভাবে পরিশোধন করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। মো. রাব্বি আরও বলেন, শিল্পকারখানার উৎপাদন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু সেই উন্নয়নের নামে খাল, নদী, মাটি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করার অধিকার কারও নেই। পরিবেশের ক্ষতি করে অর্জিত উন্নয়ন কখনোই টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে কেউ যেন পার পেয়ে না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট পরিবেশ অধিদপ্তর, প্রশাসন ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, লবলং খালের দূষণের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করতে হবে, দূষণের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলো শনাক্ত করতে হবে এবং বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে হবে। তদন্তে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।পাশাপাশি খালটির দূষণ রোধ, বর্জ্য অপসারণ এবং পরিবেশ পুনরুদ্ধারে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাব দিতে হবে’
বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মো. রাব্বি বলেন, “আমরা চাই না, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের কাছে প্রশ্ন করুক—আপনারা একটি খালকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি কেন? আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা সুস্থ, সুন্দর ও দূষণমুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠুক।কিন্তু এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ রক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একার দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। তাই লবলং খাল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে এবং দূষণ প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। দূষণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লবলং খালকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য ফেলা বন্ধ, সব সংশ্লিষ্ট কারখানায় কার্যকর ইটিপি নিশ্চিত, নিয়মিত পরিদর্শন ও বর্জ্য পরীক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংগঠনটির দাবি, পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা দায় এড়ানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। লবলং খালকে দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।আয়োজনে: বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন



ফেসবুকে আমরা