গাজীপুরে নবজাতক শিশুদের উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট (স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ন ইউনিট—SCANU) উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে জয়দেবপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন মারকাজ রোডে অবস্থিত গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবে এ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকার পরিচালক (ডেন্টাল) ডা. মোহাম্মদ আলী আকবর পলান, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম কামাল, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. খলিলুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. এনামুল হক ও ডা. মুহাম্মদ খাইরুজ্জামান এবং গাজীপুর প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. বখতিয়ার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মাজহারুল আলম বলেন, একটি শিশুর জন্ম শুধু একটি পরিবারের আনন্দ নয়, এটি আমাদের সমাজ ও ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের পর অনেক নবজাতক নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়।বিশেষ করে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়া এবং কম ওজনের শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা ও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নবজাতক বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আমি আশা করি, এখানে নবজাতকরা মানসম্মত, নিরাপদ ও মানবিক চিকিৎসাসেবা পাবে। চিকিৎসাসেবা যেন শুধু ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে সীমাবদ্ধ না থেকে মানবসেবার ব্রত নিয়ে পরিচালিত হয়। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের নবজাতকদের চিকিৎসার বিষয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা। অনুষ্ঠানে বক্তারা নবজাতকের স্বাস্থ্যসুরক্ষা, সময়োপযোগী চিকিৎসা এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে নবজাতক ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবের স্বত্বাধিকারী মো. ইসমাঈল মোল্যা অনুষ্ঠানে সৌজন্য ও অভ্যর্থনার দায়িত্ব পালন করেন