October 29, 2026, 7:28 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্যবাহী নাপিতের বাজার চুল-দাড়ি কাটার দিনগুলো এখন স্মৃতির পাতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামবাংলার হাট-বাজারে নাপিতের টুল, ক্ষুর আর কাঁচির ঝনঝন শব্দ এখন শুধুই স্মৃতি। সময় যেন কালের গহ্বরে গিলে ফেলেছে গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যকে। এক সময় গ্রামের হাটে বা বাজারে বসতো নাপিতের দোকান  বাঁশের বেঞ্চ, টিনের দেয়ালে ঝোলানো আয়না, পাশে এক বালতি পানি আর হাতে ধারালো ক্ষুর। সকালে বাজারে বা বিকেলে হাটে শোনা যেত সেই পরিচিত ডাক  আসেন ভাই, দাড়ি কামাই দেন! ৯০ দশকের সেই দিনগুলো ছিল এক অন্যরকম সময়। নাপিতরা ঘুরে বেড়াতো গ্রাম থেকে গ্রামে। কারও বাড়িতে গিয়ে চুল কেটে দিত, দাড়ি কামিয়ে দিত। ঈদ-পূজায় বা বিয়েবাড়িতে তাদের ছিল সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের সাজগোজে তাদের হাতেই লুকিয়ে থাকতো গ্রামের সৌন্দর্য। তাদের দোকান ছিল এক টুকরো সামাজিক মিলনস্থল। চুল কাটার সময় গল্প, হাসি, রাজনীতি, বাজারের খবর সব মিলিয়ে     সেটাই ছিল গ্রামের এক প্রাণবন্ত আড্ডা। সেই সময়ের নাপিত ছিলেন শুধু একজন কর্মী নয়, বরং গ্রামের খবরের কাগজ, বন্ধু, এবং সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু সময়ের সাথে বদলে গেছে দৃশ্যপট। এখন সেই নাপিতদের দেখা মেলে না হাট-বাজারে। আধুনিক পার্লার, স্টাইলিশ সেলুন আর মেশিনের যুগে হারিয়ে গেছে সেই ক্ষুরের ঝনঝন শব্দ। অনেক নাপিতই পেশা বদল করেছেন। কেউ রিকশা চালান, কেউ ছোটখাটো ব্যবসা করেন। তবুও যারা সেই দিনগুলো পার করেছেন, তাদের মনে এখনো জেগে আছে সেই সময়ের উষ্ণতা। নাপিতের দোকানে আয়নার সামনে বসে গল্প করতে করতে চুল কাটা, হাসিমুখে বিদায়  এই সবই এখন যেন এক টুকরো স্মৃতি।  শেষ কথা :গ্রামের সেই “চুল কাটা দিনগুলো” শুধু পেশা নয়, ছিল এক টুকরো সংস্কৃতি, এক টুকরো সম্পর্কের গল্প। আজও কেউ যদি চোখ বন্ধ করে সেই বাজারের শব্দ মনে আনে, মনে হয় সময়টা যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেছে  ৯০ দশকের সেই দিনগুলোর কাছে।



ফেসবুকে আমরা