October 29, 2026, 6:34 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

গাজীপুরের ভাওয়ালগড়ে বেকারি কারখানায় অবাধে বাসি রুটি বিক্রি, জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের কড়ইতলি এলাকায় একটি বেকারি কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত রুটি দোকানে দোকানে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উক্ত বেকারি কারখানার বিক্রেতারা বিভিন্ন মুদি দোকানে পুরোনো ও নষ্ট রুটি সরবরাহ করছেন। রুটিগুলোতে দুর্গন্ধ থাকলেও তা পুনরায় দোকানে রেখে বিক্রির জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। একাধিক দোকানদার জানান, রুটি ফেরত দিতে চাইলে বেকারি বিক্রেতারা দাবি করেন—“একটি রুটি তিন দিন থাকলে ওঠে না, নষ্টও হয় না।” এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানদার বলেন, রুটিতে স্পষ্ট গন্ধ থাকলেও বেকারির লোকজন সেগুলো আবার নতুন রুটি হিসেবে বিক্রির জন্য রেখে যান। এতে বাধ্য হয়ে অনেক দোকানদার লোকসানের আশঙ্কায় সেগুলো বিক্রি করছেন, যা ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত তদারকির অভাবেই এক শ্রেণির অসাধু বেকারি মালিক ও বিক্রেতারা এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে পেটের রোগ, ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, সংশ্লিষ্ট বেকারি কারখানার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করলে ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এ ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন



ফেসবুকে আমরা