October 29, 2026, 7:11 am
শিরোনাম:
উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা গাজীপুরে অসচ্ছল নারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের ৭৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে হাসপাতাল-চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: ডা. মাজহার

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও আনসার সদস্যদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল আলম।কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. মাজহারুল আলম বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, বিএনপি মনে করে বর্তমানে বিএনপি নয়, দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া বিএনপির গণমুখী কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।তিনি বলেন, চিকিৎসকরা মানুষের জীবন রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন। কর্মস্থলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার ওপর। ডা. মাজহার বলেন, দেশে আইনের শাসন বিদ্যমান আছে।কোনো নাগরিকের কোনো অভিযোগ বা দাবি থাকলে তিনি আইনগত পথে প্রতিকার চাইতে পারেন। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স কিংবা নিরাপত্তাকর্মীর ওপর হামলা করার অধিকার কারও নেই। তিনি আরও বলেন, কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসক ডা. মাহমুদা এবং একজন আনসার কমান্ডারকে গুরুতরভাবে আঘাত করার ঘটনাকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে কোনো বহিরাগত হাসপাতালে প্রবেশ করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করতে বা চিকিৎসক-নার্সদের ওপর হামলা করতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, “হাসপাতাল কোনো সংঘাতের জায়গা নয়; এটি মানুষের জীবন রক্ষার জায়গা। চিকিৎসককে নিরাপদ রাখতে না পারলে রোগীর নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জুবাইদা সুলতানা, জেলা ড্যাবের সদস্য সচিব ডা. খলিলুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. শাহজাহান সিরাজ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. এনামুল হক, সহযোগী অধ্যাপক ডা. খায়রুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এবিএম সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকে। এছাড়াও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আঃ সালাম, আরএমও ডা. ফরহাদ, আরপি ডা. কামরুল করিম, ড্যাব নেতা ডা. হাসেম, নার্সিং নেতৃবৃন্দের সভাপতি মরিয়ম, সাধারণ সম্পাদক নামজুলসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, নার্স, আনসার ও কর্মচারীরা। মানববন্ধন থেকে বক্তারা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান



ফেসবুকে আমরা