গাজীপুর, ৯ অক্টোবর: পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা এবং পর্যটনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও গাজীপুর সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। শুক্রবার দুপুরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনের পর বিকেলে তিনি গাজীপুর সাফারি পার্ক ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরীসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু উপস্থিত ছিলেন। বন্য প্রাণী চুরির ঘটনায় তদন্ত সাফারি পার্ক থেকে দুটি রিং-টেইলড লেমুর চুরির ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় যাঁরা দায়ী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্য প্রাণীর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সাফারি পার্কের অব্যবস্থাপনা দূর করার উদ্যোগ পরিদর্শনকালে সাফারি পার্কের জরাজীর্ণ সীমানাপ্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ সড়কের সমস্যাও উঠে আসে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। সীমানাপ্রাচীর টপকে বেরিয়ে যাওয়া নীলগাই ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় উদ্যানের প্রধান উদ্দেশ্য পরিবেশ রক্ষা, বন্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি মানুষের বিনোদনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানুষের বিনোদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে উদ্যান পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ছাড়া গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে পরিবেশদূষণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উদ্যান ও সাফারি পার্কের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর নিরাপত্তা এবং পর্যটনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্টদের