গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন । সাবেক বিএনপি নেতা, সাবেক বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়নের ৪ বের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও গাজীপুর সদর উপজেলার বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে পূজা মণ্ডপগুলোতে ঘুরে ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। দীর্ঘদিন বিএনপির নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত অধ্যক্ষ মিলনের এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সমাজ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, পূজার উৎসব ঘিরে এ ধরনের সহযোগিতা ও খোঁজখবর নেওয়া তাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ এই কার্যক্রমে তার সঙ্গে গাজীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা পূজামণ্ডপে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সময় কাটান এবং উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। নেতাকর্মীরা বলেন,আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন ভাই সবসময় জনগণের পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতায় যাওয়া নয়, মানুষের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়ানো।
আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলনের বক্তব্য। পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন সাংবাদিকদের বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এদেশে হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করছে। পূজার মতো আনন্দঘন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। গাজীপুরে যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন সব সম্প্রদায়ের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে যাব। এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরের মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, তার এই কর্মকাণ্ড সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করবে। এছাড়াও এলাকার সাধারণ মানুষ বলেছেন, “রাজনীতি করার পাশাপাশি মানবিক কাজগুলোই একজন প্রকৃত নেতাকে আলাদা করে তুলে ধরে। পূজা উপলক্ষে তিনি যেভাবে এগিয়ে এসেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। উপসংহার। গাজীপুরে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলনের এই কার্যক্রম স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন জয় করেনি, বরং পুরো সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।