নাজমুল খানঁ চান্দনা চৌরাস্তা ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী প্রোপাইটর নাদিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজ ২৪/০৮/২০২৫ তারিখে ট্রেড এগ্রো লিঃ কম্পানির কাছ থেকে ২০০০ হাজার কেজি ব্রয়লার মুরগী ক্রয় করা হয়। ক্রয় করার পর নাদিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজে ক্রয় কৃত ব্রয়লার মুরগী পূনরায় ওজন করিলে ১৫০ কেজি ব্রয়লার মুরগী ওজনে কম পাওয়া যায়।
কম পাওয়ার তথ্য উদঘাঠন করার জন্য পূনরায় ২৫/০৮/২০২৫ তারিখে ৪০০০ হাজার কেজি ব্রয়লার মুরগী অর্ডার করে বিকেল ৫ টার দিকে নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের প্রোপাইটর নাজমুল খানঁ ও ম্যানেজার সুমন ২টি পিকআপ নিয়ে ট্রেড এগ্রো লিঃ কোম্পানিতে যান ডেলিভারি আনার জন্য। ট্রেড এগ্রো লিঃ কোম্পানিতে গিয়ে ৫৫২০০০ হাজার টাকা জমা প্রদান করেন।টাকা জমা দিয়ে বসে থাকেন ব্রয়লার মুরগির আশায় রাত আনুমানিক ১১ টায় ৫০০ কেজি ব্রয়লার মুরগী দেন।
নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের মালিক নাজমুল খানঁ উক্ত মুরগী পূনরায় মাপার জন্য অনুরোধ করেন।কারন ২০০০ হাজার কেজি ব্রয়লার মুরগী নিয়ে ১৫০ কেজি কম পেয়েছে।তাই বার বার অনুরোধ করেন ট্রেড এগ্রো লিঃ প্রোডাকশন ম্যানেজার হানিফ হাওলাদারকে।হানিফ হাওলাদার পূর্নরায় ওজন করার অস্বীকার করেন।নাজমুল খানঁ অনুরোধ করেন, কোনো অনুরোধ না শুনে হানিফ হাওলাদার ম্যানেজার ও কর্মচারী নিয়ে নাজমুল খানঁ এর উপর রড দিয়ে হামলা চালায় মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে নাজমুল খানঁ অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
অজ্ঞান হওয়ার পর নাজমুল খানেঁর হাতে থাকা ২ টি স্বর্নের আংন্টি ১ টি স্মার্ট samsung মোবাইল ফোন, ব্যাগে থাকা ৪৮০০০০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন।নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের ম্যানেজার সুমন কৌশলে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে কাশিমপুর থানা পুলিশ ট্রেড এগ্রো লিঃ কোম্পানিতে এসে নাজমুল খানঁ ও ২ টি পিকআপ সুমন ও ড্রাইভারকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার কৃত নাজমুলের অবস্থা খারাপ হওয়ায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করানো হয়।নাজমুল খানঁ কিছুটা সুস্থ হলে কাশিমপুর থানায় বসে মিমাংশাার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়।নাজমুল খানঁ ও তার ম্যানেজার কাশিমপুর পৌছালে একদল সন্ত্রাসী তাদের পিছনে লেলিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের হেফাজতে নিয়ে নেন।এমতাবস্থায় নাজমুল খানঁ আইনের উপর সন্মান প্রদর্শন করে স্বরাষ্ট উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন মহলের কাছে জিবনের নিরাপত্তা ও সুবিচার দাবি করেন।