বিএনপি স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এর পরামর্শে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম গাজীপুরে হাম আক্রান্ত শিশুদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য সরেজমিনে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
তারিখঃ ১/৪/২০২৬ খ্রীঃ হাম আক্রান্ত ভর্তি শিশুদের দশতলার ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা আছে। সেখানে কর্মরত চিকিৎসকগণ এবং স্টাফদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ ২৭ জন শিশু ভর্তি আছে। বেশির ভাগের বয়স ২ বছরের কম। গতকাল ভর্তি ছিল ২৫ জন। তবে, আউটডোরে প্রতিদিন গড়ে ১৫ জন করে হাম আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এবং প্রতিদিন রুগীর সংখ্যা বাড়ছে। ২১টা স্যাম্পল আই.আর.ডি.সি -তে পাঠানো হয়েছে। বাচ্চাদের প্রয়োজনে অক্সিজেন দেয়া যায়। কিন্তু ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। গতকাল একজনকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এখনো দুতিন জনের অবস্থা এমন, যে কোনো সময় ভেন্টিলেটর সাপোর্ট লাগতে পারে। এমতাবস্থায় দায়িত্বে রত ডাক্তারগণ অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেড় বছর শিশুদের হামের টীকা প্রদান না করা– এবারের এমন হাম প্রাদুর্ভাবের একটি বড় কারন বলে ডাক্তারগণ জানান। অতঃপর তিনি সরেজমিনে রোগীদের দেখেন এবং অভিভাবক মা-দের সাথে কথা বলেন। প্রতি বিছানায় ২/৩ জন করে শিশু ভর্তি দেখতে পান। তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। এবং বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নজরদারির বিষয়ে অবহিত করেন। এসময় তার সাথে জেলা ড্যাবের সদস্যসচিব সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা.খলিলুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক ডা.শাহজাহান সিরাজ, সহযোগী অধ্যাপক ডা.খায়রুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এনামূল হক, হাসপাতালের আরপি ডা. কামরুল করিম, নার্সেস এসোসিয়েশন এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, হাসপাতাল কর্মচারী ইউনিয়নের ফার্মাসিস্ট আতাউর রহমান, টেকনোলজিস্ট রফিকুল ইসলাম মিরাজসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আমিনুল ইসলামের সাথে ভেন্টিলেটরসহ, আই সি ইউর যাবতীয় প্রয়োজনীয়তার ওপর ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন