June 15, 2026, 3:25 pm
শিরোনাম:
গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা

গাজীপুর সদরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের নামে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে জমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের নামে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতা নুরুল আমিন মাস্টার। শনিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৫) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নুরুল আমিন মাস্টার। তিনি বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্থানীয় দিপু ও তার মা রাজনৈতিকভাবে প্ররোচনাকারী এবং  ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগপন্থী উস্কানিদাতাদের সহযোগিতায়  আমার  ও এসআই আলমগীরের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন।তিনি এ অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে করা অপপ্রচার বলে দাবি করেন এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। নুরুল আমিন মাস্টার বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো দিপু জুবাইদুর রহমানের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ৫.২৫ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য একটি খোলা বায়না করেন। জমিটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর উপজেলার মাহনা ভবানীপুর মৌজায় অবস্থিত। ঈদকালীন সময়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বন্ধ থাকায়, দিপুর পিতা আফাজ উদ্দিন ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বায়নাটি সম্পন্ন হয়। বায়নার সময় দিপু মোট ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেন, যার মধ্যে নগদ ২ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা এবং চেকের মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী বাকি টাকা পরিশোধ বা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে দিপু কোনো উদ্যোগ নেননি। বরং তিনি টালবাহানা শুরু করেন ও জমি বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও দিপু তা অগ্রাহ্য করেন। বাধ্য হয়ে ৫ অক্টোবর জয়দেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি আরও জানান, তদন্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে আলোচনার আহ্বান জানান এবং দিপুকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া বা বায়নার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেন। সে সময় দিপু কিছু সময় চেয়ে ২১ অক্টোবর জমি মাপঝোক করে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। নুরুল আমিন মাস্টার অভিযোগ করেন, দিপু তার অঙ্গীকার রক্ষা না করে উল্টো আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের আশ্রয় নিয়েছে। আমার দীর্ঘদিনের সততা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এ অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।



ফেসবুকে আমরা