June 15, 2026, 11:44 am
শিরোনাম:
গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা

ধারাবাহিক প্রতিবেদনের (প্রথম পর্ব) বদলির আদেশের পরই বেপরোয়া রাথুরা বিট—গাছ নিধন, আসামি ছেড়ে দেওয়া ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব

গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের রাথুরা বিটে বন ধ্বংস, অবৈধ গাছ কাটা, বন অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া এবং অর্থের বিনিময়ে নানা অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা শেখ এমদাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর (৩/১১/২৫) তার বদলির আদেশ জারি হওয়ার পর থেকেই এসব অনিয়ম আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়।অভিযোগ রয়েছে, গজারি বনের আধামরা গাছ কেটে সেগুলো বিট অফিস সংলগ্ন সাফারি পার্কের ভেতরে একটি ক্যাম্পে মজুত করা হয় এবং পরে তা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রাতের আঁধারে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, পবিত্র ঈদের দুই দিন আগে গাজীপুর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ গাছ কাটার সময় দুলাল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে রাথুরা বিট অফিসে হস্তান্তর করে। কিন্তু পরে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেন। এছাড়া দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতি গাড়ি গাছ পাচারে প্রায় ১০ হাজার টাকা করে আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।জয়নতলী শালবনের ভেতরে প্রায় ৩০টি বাঁশের প্লট দেওয়ার নামে শাল ও গজারি গাছ নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব প্লট বরাদ্দের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বনভূমির জমিতে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে।কবরঘাটা এলাকার সিএস ২৮৪১ দাগে আধাপাকা টিনসেট বাড়ি নির্মাণসহ বিভিন্ন  স্থানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার তথ্য মিলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে বিট কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ রয়েছে। এদিকে, নুহাশ পল্লীর উত্তর পাশে একটি পিকনিক স্পট এলাকায় মাটি কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানা সত্ত্বেও পুনরায় মাটি কাটার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, যা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগসাজশের ইঙ্গিত বহন করে। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে গজারি বন থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে বিট কর্মকর্তাকে ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে বিটের অন্যান্য স্টাফ ঘটনাস্থলে গিয়ে দক্ষিণ বারতোপা গোড়ানপাড়া এলাকায় শাকিব (পিতা: বাদশা)সহ কয়েকজন গাছ নিয়ে আশার  সময় পালিয়ে যায় পড়ে গাছসহ একটি গাড়ি আটক করে। আইনগত দিক, বাংলাদেশের বন আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনভূমি থেকে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা, পরিবহন ও বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির শামিল, যা কঠোর শাস্তিযোগ্য। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং বনভূমি রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। উপসংহার ৩/১১/২৫ তারিখে বদলির আদেশ জারির পর থেকেই রাথুরা বিটে অনিয়মের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উদ্বেগজনক। বন বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য রাথুরা বিট অফিসার শেখ এমদাদ হোসেন কে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, পড়ে শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান কে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।



ফেসবুকে আমরা