June 15, 2026, 1:44 pm
শিরোনাম:
গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা

হারিয়ে যাচ্ছে সেই ঐতিহ্যবাহী নাপিতের বাজার চুল-দাড়ি কাটার দিনগুলো এখন স্মৃতির পাতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামবাংলার হাট-বাজারে নাপিতের টুল, ক্ষুর আর কাঁচির ঝনঝন শব্দ এখন শুধুই স্মৃতি। সময় যেন কালের গহ্বরে গিলে ফেলেছে গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যকে। এক সময় গ্রামের হাটে বা বাজারে বসতো নাপিতের দোকান  বাঁশের বেঞ্চ, টিনের দেয়ালে ঝোলানো আয়না, পাশে এক বালতি পানি আর হাতে ধারালো ক্ষুর। সকালে বাজারে বা বিকেলে হাটে শোনা যেত সেই পরিচিত ডাক  আসেন ভাই, দাড়ি কামাই দেন! ৯০ দশকের সেই দিনগুলো ছিল এক অন্যরকম সময়। নাপিতরা ঘুরে বেড়াতো গ্রাম থেকে গ্রামে। কারও বাড়িতে গিয়ে চুল কেটে দিত, দাড়ি কামিয়ে দিত। ঈদ-পূজায় বা বিয়েবাড়িতে তাদের ছিল সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের সাজগোজে তাদের হাতেই লুকিয়ে থাকতো গ্রামের সৌন্দর্য। তাদের দোকান ছিল এক টুকরো সামাজিক মিলনস্থল। চুল কাটার সময় গল্প, হাসি, রাজনীতি, বাজারের খবর সব মিলিয়ে     সেটাই ছিল গ্রামের এক প্রাণবন্ত আড্ডা। সেই সময়ের নাপিত ছিলেন শুধু একজন কর্মী নয়, বরং গ্রামের খবরের কাগজ, বন্ধু, এবং সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু সময়ের সাথে বদলে গেছে দৃশ্যপট। এখন সেই নাপিতদের দেখা মেলে না হাট-বাজারে। আধুনিক পার্লার, স্টাইলিশ সেলুন আর মেশিনের যুগে হারিয়ে গেছে সেই ক্ষুরের ঝনঝন শব্দ। অনেক নাপিতই পেশা বদল করেছেন। কেউ রিকশা চালান, কেউ ছোটখাটো ব্যবসা করেন। তবুও যারা সেই দিনগুলো পার করেছেন, তাদের মনে এখনো জেগে আছে সেই সময়ের উষ্ণতা। নাপিতের দোকানে আয়নার সামনে বসে গল্প করতে করতে চুল কাটা, হাসিমুখে বিদায়  এই সবই এখন যেন এক টুকরো স্মৃতি।  শেষ কথা :গ্রামের সেই “চুল কাটা দিনগুলো” শুধু পেশা নয়, ছিল এক টুকরো সংস্কৃতি, এক টুকরো সম্পর্কের গল্প। আজও কেউ যদি চোখ বন্ধ করে সেই বাজারের শব্দ মনে আনে, মনে হয় সময়টা যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেছে  ৯০ দশকের সেই দিনগুলোর কাছে।



ফেসবুকে আমরা