June 15, 2026, 11:36 am
শিরোনাম:
গাজীপুরে ৩ লাখ ৯৪ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ২৫ লাখের বেশি মানুষ শিল্প ও কর্মসংস্থানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর একটি গাজীপুর গাজীপুরে ৫ একর বনভূমি উদ্ধার, মনিপুর বিটে ৫ হাজার চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান ছোট উদ্যোগই একদিন বিশ্ব জয় করে— ডিসি গাজীপুর এমফিল পিএইচডি গবেষণায় শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সালের ডিগ্রী (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শ্রীপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন খুলনায় এসএসসি ৮৬ বন্ধুদের আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত আমি গেরামের ছেলে, দেন কোদাল দেন- ডিসি গাজীপুর ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে অভিনন্দন জানাল মৎস্যজীবী দল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা

অবহেলিত তৃণমূলের কথা : বিএনপি হাই কমান্ডকে মেজবা সেলিমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অভ্যন্তরে জমে ওঠা ক্ষোভ। দলের এক তৃণমূল কর্মী মেজবা সেলিম হাই কমান্ডের উদ্দেশ্যে এক খোলা চিঠিতে এমন কিছু কঠোর ও নির্মম সত্য তুলে ধরেছেন, যা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চিঠিতে তিনি সরাসরি বলেন, কর্মীদের অভিশাপ যখন জন্ম নেয়—তখন তা আর থামানো যায় না। এই অভিশাপ নীরব হলেও এর ধ্বংসক্ষমতা ভয়ংকর, যা একটি শক্তিশালী দলকেও ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিতে পারে। মেজবা সেলিম অভিযোগ করেন, আজ দল এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে ত্যাগী কর্মীরা কোণঠাসা, আর সুবিধাভোগীরা নেতৃত্বের আসনে বসে সংগঠনকে ভিতর থেকে ফাঁপা করে দিচ্ছে। তার ভাষায়—যারা রাজপথে ছিল না, যারা দুঃসময়ে পালিয়ে ছিল, তারাই আজ পদ দখল করে বসে আছে—আর যারা নির্যাতন সহ্য করেছে, কারাগারে গেছে, জীবন ঝুঁকিতে রেখেছে—তারা আজ উপেক্ষিত! তিনি আরও বলেন, দল আজ বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও ভেতরে পচন ধরেছে। এই পচন যদি এখনই থামানো না হয়, তাহলে পতন শুধু সময়ের ব্যাপার। তার মতে—নেতৃত্ব যদি তৃণমূলের কান্না না শোনে, যদি প্রকৃত কর্মীদের মূল্যায়ন না করে—তাহলে সেই নেতৃত্বই একদিন দলের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি জানান—ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব কমিটি ভেঙে নতুন করে গঠন করতে হবে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে পদ আঁকড়ে থাকা নিষ্ক্রিয় ও সুবিধাভোগীদের অবিলম্বে সরাতে হবে চিঠির সবচেয়ে কঠোর অংশে মেজবা সেলিম বলেন—দল কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, কোনো গোষ্ঠীর দখলদারিত্বের জায়গা নয়। এই দল দাঁড়িয়ে আছে কর্মীদের রক্ত, ঘাম আর ত্যাগের ওপর—এটা ভুলে গেলে এর মূল্য ভয়াবহভাবে দিতে হবে। সবশেষে তিনি হাই কমান্ডকে বার্তা দিয়ে বলেন—সময় এখনও আছে—নিজেদের ঠিক করুন, না হলে ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবে না। কর্মীর ভালোবাসা যেমন দলকে শিখরে তুলতে পারে, তেমনি কর্মীর অভিশাপ সেই দলকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে এক মুহূর্তও সময় নেবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই খোলা চিঠি শুধু একজন কর্মীর বক্তব্য নয়—এটি তৃণমূলের জমে থাকা ক্ষোভের প্রতিফলন। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) হাই কমান্ড এই বার্তাকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।



ফেসবুকে আমরা