October 29, 2026, 10:09 am
শিরোনাম:
গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা

সুশিক্ষিত ও প্রজ্ঞাবান সমাজ গঠনে প্রান্তিক রাজনীতিকে জাগ্রত করতে হবে — ডা. মাজহারুল আলম

গাজীপুর প্রতিনিধি

বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে তৃণমূলভিত্তিক শিক্ষা আন্দোলনের আহ্বান। শুক্রবার: ১৫ মে
বিএনপির জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম বলেছেন, একটি আধুনিক, মানবিক ও রাষ্ট্রচিন্তায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশিক্ষিত, মেধাবী ও প্রজ্ঞাবান সমাজ প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কেবল একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, বরং এটি রাষ্ট্র মেরামত, সামাজিক পুনর্জাগরণ ও নতুন প্রজন্মকে আদর্শিকভাবে গড়ে তোলার একটি সময়োপযোগী রূপরেখা। তিনি আরো বলেন, সুশিক্ষা ও প্রজ্ঞার আলো শুধুমাত্র শহরের অভিজাত অডিটোরিয়াম কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এই আলোর বিস্তার ঘটাতে হবে গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, পাড়া-মহল্লা ও সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে। বিশেষ করে বর্তমান জেন-জি তরুণ সমাজকে বিভ্রান্তি, অপসংস্কৃতি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থেকে রক্ষা করতে আদর্শভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প নেই। ডা. মাজহারুল আলম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দেশে নিরক্ষরতা দূরীকরণে যে গণমুখী আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। তখন গ্রামের সাধারণ মানুষও লণ্ঠনের আলোয় নৈশ বিদ্যালয়ে গিয়ে অক্ষরজ্ঞান অর্জন করতেন। তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মীরাও জনগণকে শিক্ষিত করার আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিতেন। তিনি বলেন,  আজকের বাস্তবতায় আবারও সেই গণমুখী শিক্ষা আন্দোলনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কারণ দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক শাসন, মতপ্রকাশের সংকোচন এবং মেধাশূন্য রাজনীতির কারণে সমাজের নানা স্তরে এক ধরনের অপদার্থ, দায়িত্বহীন ও আত্মকেন্দ্রিক মানসিকতা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র ও সমাজকে পুনর্গঠনের জন্য এই মানসিকতার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরো বলেন, প্রজ্ঞাবান সমাজ গঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গেলে প্রান্তিক রাজনীতিতে কিছুটা অস্বস্তি বা প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কারণ দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছরের বিকৃত রাজনৈতিক সংস্কৃতি সমাজের বিভিন্ন স্তরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে হলে সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সুস্পষ্ট পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। ডা. মাজহারুল আলম মনে করেন, শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠীই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি বলেন, যে জাতি জ্ঞানকে ধারণ করে, সেই জাতি কখনো পরাজিত হয় না। তাই আগামী বাংলাদেশের রাজনীতি হতে হবে জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী। তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা, নৈতিকতা, সামাজিক সচেতনতা ও রাষ্ট্রচিন্তার বার্তা পৌঁছে দিতে সাংগঠনিকভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই একটি সুশাসিত, প্রজ্ঞাবান ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।



ফেসবুকে আমরা