October 29, 2026, 12:05 pm
শিরোনাম:
গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা

জবরদখলমুক্ত বনভূমিতে বন বিভাগের সবুজ উদ্যোগ: শ্রীপুরের রাথুরা বিটে ২০ হাজার চারা রোপণ

মোঃ সাইদুল ইসলাম গাজীপুর

গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের রাথুরা বিটে জবরদখলমুক্ত বনভূমিতে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বন বিভাগ। উদ্ধার করা বনভূমিতে মিশ্র প্রজাতির মোট ২০ হাজার চারা রোপণের মাধ্যমে নতুন বন সৃষ্টির কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঢাকা বন বিভাগের আওতাধীন শ্রীপুর রেঞ্জের রাথুরা বিট সূত্রে জানা যায়, ৬ নম্বর রাথুরা মৌজা ও ১ নম্বর পিরুজালী মৌজাসহ বিটের গেজেটভুক্ত বনভূমির পরিমাণ ৪,৮৪৫.০৩ একর। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩৫১.৭১ একর বনভূমি জবরদখলের শিকার হয়। বন বিভাগের ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় ৬.০০ হেক্টর বনভূমি জবরদখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব জমিতে পুনরায় দখল রোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত ৬.০০ হেক্টর জমিতে স্বল্পমেয়াদি মিশ্র প্রজাতির বাগান সৃষ্টি করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ১৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এছাড়া ২.০০ হেক্টর জমিতে দীর্ঘমেয়াদি মিশ্র প্রজাতির বাগান তৈরির জন্য আরও ৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৮.০০ হেক্টর এলাকাজুড়ে ২০ হাজার বনজ চারা রোপণের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে।বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শ্রীপুর রেঞ্জ অফিসারের নেতৃত্বে এবং রাথুরা বিট কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় বনায়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রোপণকৃত চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল বন বিভাগের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, জবরদখলমুক্ত বনভূমিতে দ্রুত বনায়নের ফলে পুনরায় দখলের ঝুঁকি কমবে, বনভূমির পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরবে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে



ফেসবুকে আমরা