October 29, 2026, 10:11 am
শিরোনাম:
গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা

বেগমপুরে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় হামলা সিকার থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাইদুল ইসলাম গাজীপুর

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার বেগমপুর এলাকায় কথিত ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ করায় তিন ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেগমপুর এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন, মো. নাঈম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সহযোগীদের নিয়ে এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় করে আসছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় যুবসমাজ, সচেতন নাগরিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার তাকে সতর্ক করলেও তিনি তা উপেক্ষা করে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হাবিবুর রহমানের চাচাতো ভাই শরীফুল ইসলাম বেগমপুর এলাকার সুলতানা ডাইং ফ্যাক্টরির সামনে সরকারি শালবনের ভেতর দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কথিত ইয়াবা কেনাবেচার ঘটনা দেখতে পান।তিনি এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত নাঈম চৌধুরী তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।শরীফুল ইসলামের চিৎকার শুনে হাবিবুর রহমান ও তার সঙ্গী রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত নাঈম চৌধুরী, লিটন চৌধুরী ও ফয়সাল চৌধুরীসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ঘিরে ধরে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তিনজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত হন। হাবিবুর রহমানের দাবি, হামলার সময় লিটন চৌধুরী কাঠের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলে তার ডান হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে। একই সময়ে নাঈম চৌধুরী ও ফয়সাল চৌধুরী লাঠি দিয়ে রফিকুল ইসলামের দুই হাত, কোমর ও পায়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে শুরু করলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার আগে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে লাশ গুম করার এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন এবং জয়দেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বক্তব্য জানতে তাঁর সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, সংবাদটি থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে



ফেসবুকে আমরা