October 29, 2026, 11:00 am
শিরোনাম:
গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা

মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজ,ভবানীপুর -এর সেই আবুল প্রসঙ্গে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রজ্ঞাপন অমান্য করে নিয়োগের অপচেষ্টা: বিবেকবানদের জাগতে হবে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদেশ জারি হয়েছে (স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০০০.৯২.০০৪.২২.২৮)।উক্ত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সমপদধারী ব্যক্তির নিয়োগ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।প্রজ্ঞাপনটি জারি হয় ৬ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে, এবং তাতে বলা হয়, সরকারের নির্দেশ ছাড়া কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাবে না। কিন্তু বিস্ময়কর ও উদ্বেগজনক তথ্য হলো গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজে এই সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে এক নাটকীয় নিয়োগ পরিকল্পনা চলছে।অভিযোগ রয়েছে, যিনি অতীতে নানা অনিয়ম ও অপকর্মের কারণে নীতিগত ও আইনগত প্রক্রিয়ায় কলেজ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন, এবং তার চরিত্র উন্মোচন করে সবিস্তারে বেশ কটি পত্রিকায় লিখেছিলাম, সূত্রের দাবি, আবুল আবারও অধ্যক্ষ পদে বসার আয়োজন করছেন। সবই ঘটছে কিছু প্রভাবশালী মহলের ছায়ায়,      এবং প্রজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও এই বেআইনি নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে আগামীকালকে কেন্দ্র করে। প্রশ্ন উঠছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট প্রজ্ঞাপন যখন বলছে নিয়োগ স্থগিত, তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ কীভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করার সাহস পায়? তারা কি সরকারি আইনের ঊর্ধ্বে, আইনের রক্ষক হয়ে আইন ভাঙলে, রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা কোথায় দাঁড়ায়? এই ঘটনাকে কেবল প্রশাসনিক অনিয়ম বলা যাবে না; এটি রাষ্ট্রীয় নৈতিকতা ও শিক্ষাব্যবস্থার শৃঙ্খলার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। আরও বেদনাদায়ক হলো ‘মুক্তিযোদ্ধা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘটছে, যে নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও মর্যাদা। আজ প্রশ্ন বিবেকবানদের প্রতি আমরা কি এই অন্যায় নীরবে মেনে নেব, না প্রতিবাদে মুখ খুলব? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি রাজনীতি, প্রভাব ও দুর্নীতির আশ্রয়স্থল হয়ে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কী শিখবে? আইনের শাসন ও ন্যায্যতা রক্ষায় এখনই সচেতন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজকে সোচ্চার হতে হবে। কারণ নীরবতা মানেই অন্যায়ের সহযোগিতা। আর অন্যায়ের সহযোগিতা মানে নৈতিক আত্মসমর্পণ।



ফেসবুকে আমরা