গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী ৬ নং ওয়ানডে মডেল মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী জাহিদ হোসেন ১৫ কে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে । ১৪ই অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রকে মাদ্রাসার পাশে রাস্তায়
থেকে ধরে নিয়ে যায়। পিরুজালী মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক আইয়ুব আলী ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা খোরশেদ দেওয়ান মাদ্রাসার গোপন স্থানে নিয়ে জাহিদ কে ওই নির্যাতন করে। ওই নির্যাতনের ঘটনায় জাহিদের বাবা সুরুজ আলী বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় নির্যাতনকারী আইয়ুব আলী ও খোরশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। জাহিদ হোসেন দুই বছর আগে এই মাদ্রাসায় হেফজ খানায় লেখাপড়া করত। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী মধ্যপাড়া জামালপুর চৌরাস্তা এলাকায় এক মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। জাহিদ হোসেন ঘটনার দিন মাদ্রাসার সামনে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক আইয়ুব আলী ও খোরশেদ দেওয়ান মডেল মাদ্রাসার তৃতীয় তলায় গোপন কক্ষে নিয়ে নানা অজুহাত দেখিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এসময় জাহিদ আর্ত চিৎকার করলেও কেউ তা শুনতে পায়নি। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী জাহিদ হোসেন তাদের পায়ে ধরে বাঁচার আকুতি করেও রেহাই পায়নি। একপর্যায়ে তাকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করা হয়। নির্যাতন শেষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী জাহিদ হোসেন কে মাদ্রাসা থেকে বের করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় বলে। শিক্ষার্থী জাহিদ সংবাদ কর্মীদেরকে জানান। এই নিয়ে এলাকাবাসী জানান ,একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে অভিযুক্ত আইয়ুব আলী ও খোরশেদ দেওয়ান এর আগেও এলাকায় আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে রক্তাক্ত যখম করেছে। । অভিযুক্ত আইয়ুব আলী ও খোরশেদ দেওয়ান শিক্ষার্থীর নির্যাতনের ঘটনা স্বীকার করেছে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা খোরশেদ দেওয়ান স্থানীয় আলিম পাড়ার নিয়ামত মাস্টারের ছেলে। নির্যাতনের শিকার জাহিদ হোসেন নির্যাতনের ঘটনা কান্না বিজড়িত কন্ঠে বর্ণনা করে। জাহিদ হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থী জাহিদের বিরুদ্ধে চুরির অপবাদ দিচ্ছে। আইয়ুব আলী ও খোরশেদ দেওয়ান, এলাকাবাসী এই আইয়ুব আলী ও খোরশেদ দেওয়ানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত বিচার চান।