ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তাপ ও আগ্রহ। এই নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়া পরিষদের আহবায়ক আমিনুল ইসলাম সোহাগ। রাজধানীর রাজনীতি থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এই তরুণ নেতা। দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা আমিনুল ইসলাম সোহাগ সংগঠক হিসেবে পরিচিত একটি নাম। ছাত্রজীবন থেকেই আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এই নেতা নগর রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আমিনুল ইসলাম সোহাগের রাজনৈতিক পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া–এর রাজনৈতিক দর্শন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তারেক জিয়া পরিষদের আহবায়ক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটির নাগরিক সমস্যা নিয়ে সোহাগ বরাবরই সরব। জলাবদ্ধতা, যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবা আধুনিকায়নের বিষয়ে তিনি একাধিক বক্তব্য ও মতামত দিয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য, সুযোগ পেলে তিনি “নাগরিকবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক” নগর প্রশাসন গড়ে তুলতে চান।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, আমিনুল ইসলাম সোহাগের মতো একজন তরুণ ও আন্দোলনমুখী নেতার আবির্ভাব ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে পরিবর্তনকামী ভোটারদের কাছে তিনি একটি বিকল্প মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা আসেনি, তবে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে—ঢাকা দক্ষিণ সিটির আসন্ন নির্বাচন হতে যাচ্ছে বেশ জমজমাট, আর সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন আমিনুল ইসলাম সোহাগ