রাজনীতি মানেই কেবল মিছিল-মিটিং বা স্লোগানের উচ্চারণ নয়—রাজনীতি হলো ত্যাগ, সংগ্রাম এবং মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক দীর্ঘ যাত্রা। সেই যাত্রারই এক নিরব, অবিচল সৈনিক গাজীপুরের পরিচিত মুখ ডা. মাজহারুল আলম। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতির পথে হাঁটা শুরু করেন। মহান নেতা জিয়াউর রহমান এবং মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী-এর আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি রাজনীতিকে দেখেছেন সেবার মাধ্যম হিসেবে, ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো পদ-পদবীর পেছনে ছোটেননি। বরং দলের দেওয়া দায়িত্বকে নিজের অস্তিত্বের অংশ মনে করে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে গেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন অনেকেই সুযোগের হিসাব কষেছেন, তখন ডা. মাজহারুল আলম আদর্শের পথেই থেকেছেন দৃঢ়ভাবে। গাজীপুরের মাটি তাঁর নিরব সংগ্রামের সাক্ষী। অগণিত রাতের নিরলস পরিশ্রম, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দুঃখে-কষ্টে থাকা মানুষের চোখের জল মুছে দেওয়া—এসব মানবিক কর্মকাণ্ডই তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং আস্থা ও ভরসার প্রতীক। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ডা. মাজহারুল আলমের রাজনীতি হলো সততা, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি সবসময় নিজের স্বার্থের আগে মানুষের কথা ভেবেছেন, আরামের চেয়ে সংগ্রামকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইতিহাসের পাতায় সব নাম লেখা না থাকলেও মানুষের হৃদয়ে কিছু নাম চিরস্থায়ী হয়ে যায়। ডাঃ মাজহারুল আলম তেমনই একজন, যিনি নীরবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। নেতৃত্বের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে তারা বলেন, নেতৃত্ব মানে শুধু সামনে দাঁড়ানো নয়, বরং মানুষের পাশে থাকা।” আর সেই জায়গাতেই ডাঃ মাজহারুল আলম নিজেকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাদের মতে, যারা ত্যাগ করে, যারা নীরবে লড়ে যায়—তাদের মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। কারণ, এই নীরব মানুষগুলোর হাত ধরেই একদিন ইতিহাস রচিত হয়। সততা ও আদর্শের রাজনীতিতে এমন নিবেদিতপ্রাণ নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন—নীরব মানুষগুলোই ইতিহাস গড়ে, তারা চিৎকার করে না, কিন্তু একদিন সবাই তাদের নাম উচ্চারণ করে।