October 29, 2026, 12:03 pm
শিরোনাম:
গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ বৃহত্তর গাজীপুরে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার নতুন ঠিকানা ‘ডেন্টাল হ্যাভেন’ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও শিশুদের জন্য বিশেষ প্লেগ্রাউন্ড বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতারা

গাজীপুরের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

হাবিবুর রহমান গাজীপুর

গাজীপুর প্রতিনিধি: একজন আদর্শ শিক্ষক কখনো শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না, তিনি গড়ে তোলেন মানুষ।তেমনই একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন শিক্ষানুরাগী, প্রয়াত প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান। এই গুণী শিক্ষকের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ৯ জুলাই। ২০০৪ সালের এই দিনে ভোরে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ১৯৪১ সালের ১ জানুয়ারি সাবেক ঢাকা বর্তমান গাজীপুর জেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পূর্ব ডগরি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিল্লুর রহমান। তার পিতার নাম মৌলভী আব্দুল হামিদ।শিক্ষাজীবন শুরু করেন ডগরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।গাজীপুরের স্বনামধন্য ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠিত সাদাত কলেজ থেকে ১৯৫৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক এবং টাঙ্গাইলের কাগমারী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত মোহাম্মদ আলী কলেজ থেকে ১৯৬২ সালে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬২ সালেই শিক্ষকতা পেশায় ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগ দেন তিনি। তিনি ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৮১ সাল নাগাদ সহকারী শিক্ষক ছিলেন। পরবর্তীতে সাকাস্বর উচ্চ বিদ্যালয়, কাউলতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং পিরুজালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে তার নিজ গ্রামে এলাকাবাসীকে নিয়ে গড়ে তোলেন ডগরী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। যা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে আলোকিত জীবনের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে। জিল্লুর রহমান ছিলেন সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব। বিদ্যালয়ে বার্ষিক নাটক পরিচালনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং উপস্থাপনায় তাঁর অসাধারণ দক্ষতা তাঁকে সবার কাছে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়। তাঁর নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতায় বিদ্যালয় এবং এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে উঠত। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি তিনি তাদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতেন। তাঁর অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। তাঁদের অনেকেই আজও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেন প্রিয় শিক্ষক জিল্লুর রহমানকে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে মাহবুবুর রহমান ও হাবিবুর রহমান এবং তিন মেয়ে ডঃ জেবুন্নেছা শিউলি, শাহানাজ সুলতানা, সাঈদা সুলতানাসহ , নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। তাঁর ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা