October 29, 2026, 4:39 pm
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাকৃবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃষি উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরলেন উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নজীবুর রহমানের শোকসভা অনুষ্ঠিত গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান-এ “বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন”-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, বন রক্ষা এবং সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জহির আকন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও বিদ্যমান বনাঞ্চল সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ ও সুন্দর করে না, বরং অক্সিজেন সরবরাহ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানে বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, সদস্য সচিব মো. রাব্বি, যুগ্ম সদস্য সচিব হাফিজ, আবিদ হাসান ও ফয়সাল আহমেদ-সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী এবং পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে জাতীয় উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে



ফেসবুকে আমরা