October 29, 2026, 2:16 pm
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাকৃবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃষি উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরলেন উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নজীবুর রহমানের শোকসভা অনুষ্ঠিত গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনদুর্ভোগ চরমে: পল্লী বিদ্যুতের সেবায় ক্ষোভ, জবাবদিহি কোথায়

মোঃ সাইদুল ইসলাম গাজীপুর

গাজীপুর সদর উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, দিনের বিভিন্ন সময়ে, এমনকি নামাজের সময়ও হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। অনেক ক্ষেত্রে একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সংযোগ ফিরে পাওয়া যায় না।ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রতি মাসে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরও তারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী ও সাধারণ মানুষ সবাই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, বিদ্যুৎ সেবার মান যদি এতটাই দুর্বল হয়, তাহলে গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়মিত বিল নেওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়? জনগণ কি শুধু বিল পরিশোধ করার জন্য, নাকি নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাওয়ারও অধিকার তাদের রয়েছে।সচেতন মহলের মতে, বিদ্যুৎ সরবরাহে যদি কারিগরি সমস্যা, লোড ব্যবস্থাপনা বা অন্য কোনো বাস্তব কারণ থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তা জনসাধারণকে স্পষ্টভাবে জানানো। কিন্তু কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বারবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়িয়ে তুলছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ প্রকাশ করুক, সেবার মান উন্নত করুক এবং গ্রাহকদের সঙ্গে দায়সারা আচরণের পরিবর্তে জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। এখন প্রশ্ন একটাই—সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি জনগণের এই দুর্ভোগ দেখছেন? নাকি নিয়মিত বিল পরিশোধকারী গ্রাহকদের কষ্ট শুধু পরিসংখ্যানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে



ফেসবুকে আমরা