দীর্ঘদিনের অসহনীয় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। একই সঙ্গে তারা স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ও সাব-স্টেশন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় দিনে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কৃষি উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা সড়কে নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। দ্রুত সমস্যার সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, কর্তৃপক্ষের দেওয়া আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন আন্দোলনকারীরা।(দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করে প্রতিবেদনটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ করা যেতে পারে।