গাজীপুরে বনাঞ্চলের ভেতর নির্মাণাধীন শিশির বিন্দু রিপোর্টের আড়ালে পতিতা ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে।রিসোর্টটি সদর উপজেলার নলজানী এলাকার ভাওয়াল রিসোর্টের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানটি অনেকটা নির্জন।সরেজমিনে দেখা যায়, বনাঞ্চলের ভিতরে বারান্দাসহ চার রুমের স্থাপনা। গেটে কোন সাইনবোর্ড নেই। চারপাশে উন্মুক্ত। চার তলা একটি ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে এটাই শিশির বিন্দু রিসোর্ট নামে পরিচিত। রিসোর্টটিতে দীর্ঘদিন ধরে পতিতা ব্যবসা চলছে। বিভিন্ন স্থান থেকে খদ্দেররা এসে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছে। পুলিশের কোন তৎপরতা নেই। রিসোর্টের কেয়ারটেকার আব্দুল গনির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শামীম নামের একজন এই রিসোর্ট পরিচালনা করছেন। তার মামা পুলিশ কর্মকর্তা। তাই নিরাপদে সব চলছে তিনি আরো জানান রিসোর্টটিতে ২৪ ঘন্টা থাকলে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এরমধ্যে পতিতা বাবদ তিন হাজার টাকা ও রুম ভাড়া বাবদ ২০০০ টাকা। আর এক ঘন্টার জন্য নেওয়া হয় দেড় হাজার টাকা। ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা শামীম বলেন, তার মামা কয়েক বছর আগে সাত বিঘা জমি কিনে এ রিসোর্ট করেছেন। কখনো কোন সমস্যা হয়নি। স্থানীয় কয়েকজন জানান, শিশির বিন্দু রিসোর্টকে ঘিরে বখাটে ও মাদক সেবীদের আনাগোনা বাড়ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননা। এসব প্রতিরোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী। ঘটনাস্থল থেকে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তৌহিদুল ইসলামকে ফোন করে জানালে তিনি বলেন, থানায় এখন কোনো টিম নেই। টিম আসলে পাঠাবো পরে এক সপ্তাহ পার হলেও কোন তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি।