আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর ৩ আসনে মোট সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইজাদুর রহমান মিলন। তিনি কর্মীদের নিয়ে এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন দিনরাত।সর্বশেষ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ করলেন। শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের কে তিনি জানান, তিনি তার নির্বাচনী প্রতীক ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। ঘুম হারাম করে তাকে গণ সংযোগ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর কর্মীরা তার কর্মীদেরকে হুমকি দিচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে। ঘোড়া প্রতীকে যেন কোনো এজেন্ট না থাকে এবং ঘোড়া প্রতীকে যেন কেউ ভোট প্রার্থনা না করে। তিনি বলেন, এরকম হুমকির মুখে আমাকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে হচ্ছে । প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও কর্মীরা জনগণকে বুঝিয়ে ভোট নিতে পারেন অথচ আমাকে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছেন। অবাধ নির্বাচন হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার ঘোড়া প্রতীকের জয় অবশ্যম্ভাবী। বিএনপির দলীয় প্রার্থী ও কর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ভালোবেসে জনগণের ভোট আদায় করেন, হুমকি দিয়ে আমাকে ডিস্টার্ব করবেন না।” বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (ধানের শীষ ) বললেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকা চাঁদাবাজ মুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত করা হবে। দলের ভেতর ভূমিদস্যদের ঠাঁই হবে না। শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় গণসংযোগ কালে শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি এ কথা বলেন। অপরদিকে , একই দিন শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় গণ মিছিল শেষে বক্তব্যদান কালে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা এহসানুল হক বলেন, আমরা রাজনৈতিক সহাবস্থান চাই, কেউ দুর্নীতি করলে আমরা প্রতিরোধ করব। ১১ দলীয় জোট সংসদে নেতৃত্ব দিবে। অন্যান্য প্রার্থীদেরকে এলাকায় গণসংযোগে তেমন দেখা যাচ্ছে না। উল্লেখ্য, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা ও সদর উপজেলার মির্জাপুর ভাওয়াল ঘর ও পিরুজালী ইউনিয়ন নিয়ে গাজীপুর ৩ সংসদীয় আসন গঠিত। যেখানে মোট ভোটারের সংখ্যা পাঁচ লাখ এর অধিক।