October 29, 2026, 3:45 pm
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাকৃবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃষি উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরলেন উপাচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নজীবুর রহমানের শোকসভা অনুষ্ঠিত গাজীপুর সদর হাসপাতালে ছারপোকা, দুর্গন্ধ ও লিফটের ভোগান্তি; উন্নত পরিবেশের দাবি উপাচার্যের সঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে গ্রীন হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট উদ্বোধন বন ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপির সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী ভাওয়াল রাজদিঘীসহ গাজীপুরের সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক জুরাইন ও হাতিরঝিলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মৎস্যজীবী দল নেতৃবৃন্দ

জবরদখলমুক্ত বনভূমিতে বৃক্ষরোপণ গাজীপুরের মধ্যপাড়া বড়চালায় দেড় একর বনভূমি উদ্ধার করে চারা রোপণ করল বন বিভাগ

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জের মনিপুর বিটের আওতাধীন মধ্যপাড়া এলাকার বড়চালায় প্রায় দেড় একর জবরদখলকৃত বনভূমি উদ্ধার করে সেখানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে বন বিভাগ। বনভূমি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে পরিচালিত এ অভিযানে উদ্ধারকৃত জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিএস ৩০৪ এবং আরএস ১০৭৪ দাগভুক্ত সরকারি বনভূমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়েছিল।সম্প্রতি বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে এবং পুনরায় বনাঞ্চল হিসেবে ফিরিয়ে আনতে সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করে।মনিপুর বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা উদ্ধারকৃত জমিতে (প্রায় ১২০০) চারা রোপণ করেন এবং চারাগুলোর সুষ্ঠু পরিচর্যা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, “বনভূমি শুধু রাষ্ট্রীয় সম্পদ নয়, এটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অন্যতম ভিত্তি। জবরদখলমুক্ত জমিতে দ্রুত বৃক্ষরোপণ করার মাধ্যমে আমরা বনাঞ্চলের হারানো পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। বন রক্ষা ও সম্প্রসারণে বন বিভাগের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, বনভূমি দখলমুক্ত করার পাশাপাশি পুনরুদ্ধারকৃত এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে, যাতে কোনো অসাধু চক্র পুনরায় সরকারি জমি দখলের সুযোগ না পায়। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা বন বিভাগের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বনভূমি রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দখলমুক্ত জমিতে বৃক্ষরোপণ একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। বনাঞ্চল বৃদ্ধি পেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বনভূমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত বনভূমিতে পর্যায়ক্রমে আরও বৃক্ষরোপণ করে সবুজ বনাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে



ফেসবুকে আমরা